LekhaLekhi-Bangla

Some of my writing in Bengali are published below…
Chora and Kobita

বিজয় দেখিনি, বিজয়ের গল্প শুনেছি
মীর মাহাফুজ আলম
লেখাটা শুরু করতে পারতাম আমি দিয়ে। আমি বিজয় দেখিনি, বিজয়ের গল্প শুনেছি। কিন্তু ভেবে দেখলাম এই আমি শুধু আমিই নই। আমারই মতো আরও হাজারও আমি আছে এই বাংলায় বা ওই বাংলায় যারা বিজয় দেখেনি। বিজয়ের কথা শুনেছে, বিজয়গাথা দেখেছে, বিজয়কে উপলব্ধি করেছে বিজয়ী’র মতো করেই। বিজয় তো বিজয়ই। একে নিয়ে এত মাতামাতি কেন? আলেকজেন্ডার বিশ্ব জয় করেছে, করেছে তৈমুর, বা হালে করছে প্রযুক্তির আশীর্বাদে ধন্য বলবানরা। তাদের তো এতো মাতামাতি নেই? তবে আমরা কেন?

আমাদের জয় তো শুধু ছোট্ট একটি অঞ্চলের মানুষের জয় নয়। নয় বিশ্বের প্রথম বিজয়। যুগে যুগে বিজয়ী এসেছে জয়ের রথে চড়ে। সে বিজয় বা হালের বিজয় অস্ত্রের ঝংকারে শানিত। আক্ষরিত অর্থে আমাদের বিজয়ও হয়তো এর বাইরে নয়। নয় মাসের যুদ্ধ, অস্ত্রের ঝনঝনানি, লক্ষ লক্ষ মানুষের আত্মদান, হয়তো তারও বেশি নারীর সম্ভ্রভ বিসর্জন কি নেই এই বিজয়ে? বিজয়ের সব উপকরণই এতে বিদ্যমান। তাহলে পার্থক্য কোথায় এই বিজয়ে?

যুদ্ধন্মোক্ত জাতি যুদ্ধ করে হালে তার বানিজ্যিক স্বার্থ অক্ষুন্ন রাখতে। ক্ষুদ্র জাতিসত্বা যুদ্ধ করে অস্তিত্ব রক্ষার্থে। পূর্বে করতো বিশ্বকে পদানত করতে, স্বীয় পদতলে রাখতে। বা ধর্মের সাথে ধর্মের বিরোধে করতো ধর্মযুদ্ধ। কিন্তু এমন কেউ কি আছে যে লড়েছে নিজের ভাষা নামের মা কে রক্ষার্থে?যে লড়েছে একটা ভাষার মানুষদের জন্য পৃথিবীর বুকে প্রথম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে? এর উত্তর সবারই জানা। না, নেই এমন কোন জাতি যে লড়েছে ভাষার নামে। যে লড়েছে স্বীয় ধর্মীয় লোকের বিরুদ্ধে নিজের মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠায়। আমরা সেই জাতি যারা লড়েছি ভাষার জন্য। আমরা যেমন জানি নিজ ভাষার সম্মান রক্ষার্থে, তেমনি জানি অন্যের ভাষার সম্মান জানাতেও। তাইতো এ দেশে অন্য ভাষাভাষী লোকেরা তাদের ভাষায় কথা বলতে পারে, লিখতে পারে, পড়তেও পারে। এমন কি প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় প্রযুক্তির ভেতরেও ঢুঁ মারতে পারে অবলিলায়। হোক না সে সাওতাল, বা অন্য ভাষাভাষী। এ জাতির হাত প্রসারিত তাদের প্রতিও চরম মমতায়।

যাদের বিরুদ্ধে ছিলো আমাদের ওই যুদ্ধ তারা যেমন এখন বুঝতে শুরু করেছে সেই যুদ্ধের ন্যার্যতা, তেমনি বুঝেছে জাতিসত্ত্বার সংগঠন ইউনেস্কোও। তাই তো মিলেছে স্বীকৃতি। আমাদের ২১ শে ফেব্রুয়ারী আজ হয়েছে সবার-বিশ্ব মানবতার। সব ভাষাভাষী মানুষের মুক্তির প্রতীক হয়ে সে দ্বীপ্তমান।

যে প্রযুক্তি মানুষকে এটে ফেলেছে শক্ত বাধনে সেখানেও কিন্তু হোচট খায়নি আমার বাংলা। এই বাংলা বা ওই বাংলার কিছু সাহসী বীর বাংলাকে ধাবমান রেখেছেন। অক্ষুন্ন রেখেছে এর সাবলিল গতিধারা। হোক না সে মাইক্রোসফট এর উইন্ডোজ,বা হালের লেটেস্ট মোবাইল, কোথায় নেই বাংলা? বা ওয়েবসাইট কিংবা ইউ.আর.এল বা ইউনিকোডের মতো দাতভাঙ্গা ব্যাপার গুলোতেও বাংলা ভাষা তার স্থান করে নিয়েছে। শুনতে পাই মহাশূন্যেও চলে গেছে এই ভাষা। আমার মা বাংলা ভাষা হাজার বছরের পথ চলাতেই ক্ষান্ত হয়নি, মহাশূন্যেও সে ধাবমান। এমন দিন হয়তো খুব দুরে নয় যেদিন মহাশূন্যের সিগনালও যাবে বাংলায়।এমন কি আসবেও। আমাদের বাংলায় পাঠানো কোন সিগনাল হয়তো কোন একদিন কোন ভীনগ্রহের বুদ্ধিমান প্রানীর কাছে পৌছে যাবে। কোন বাংলাদেশী কিংবা বাঙ্গালী তরুণ তূর্কী মহাশূন্যে পৌছে যাবে। চাঁদের বুকে পা রেখে বলবে, ওহ্ আমার দেশের মাটি তোমার প’ড়ে ঠেকায় মাথা।

রবীন্দ্রনাথ, কিংবা নজরুল, বা আমাদের জীবনানন্দ দাস যে পথচলা শুরু করে গেছেন, বা লালন থেকে শুরু করে নাম না জানা হাজারো কবি সমৃদ্ধ করেছেন যে বাংলাকে সে বাংলা কিন্তু থেমে থাকেনি কখনও। হয়তো থমকে দাড়িয়েছে, হয়তো ইতিহাসের কোন ঘটনা তাকে ভাগ করেছে। কিন্তু থেমে থাকেনি সে। স্বভাবশূলভ গতিতে ছুটে চলেছে। হয়তো দুু ধারায় প্রবাহিত এই যাত্রা। হোক না তাই আরও কিছু দিন। সাগর মোহনায় সে ছুটে গিয়ে মিলিত হবে অভিন্ন ধারায়।

একটি জিনিস কিন্তু কাউকেই পুলকিত না করে পারে না। তা হলো আমাদের জাতীয় সংগীত। দেশ বিভিন্ন ভাগে ভাগ হলো। তারপরও মিলনের সূত্র কিন্তু রয়েই গেছে। নোবেল বিজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর রচনা, আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি… যেমন এ বাংলার মানুষের মুখে ধ্বনিত হচ্ছে প্রতিদিন জাতীয় সংগীত হিসেবে,তেমনি ওপার বাংলাও গাচ্ছে, জনগনও মনও…। ভেবে দেখার বিষয় হলো ওপার বাংলার কোটি মানুষের সাথে ঠোট মিলাচ্ছে আরও শত কোটি মানুষ প্রতিদিন! তাছাড়াও হালে শোনা যাচ্ছে শ্রীলংকার জাতীয় সংগীতও নাকি রবীন্দ্রনাথের লেখা। তারই কোন শিষ্যের হাত ধরে তা পৌছে গেছে ওই রাবনের দেশ শ্রীলংকাতেও!

কিংবা চির উন্নত মম শির কাজী নজরুল ইসলাম আজও প্রতীক হয়ে আছেন সংগ্রামী-শোষিত সব মানুষের আত্মার স্বর হিসেবে। কারার ওই লৌহ কপাট ভেঙে ফেলো…বলে আজও প্রতিবাদী মানুষ মুখর হোন দুই বাংলাতেই। তাকে নিয়ে নতুন ভাবে গবেষনা হচ্ছে বিশ্বপরিমন্ডলেও। তার সেই কথায় যেন সত্যি যে তার জন্ম এই দেশে (উপমহাদেশে) হলেও তিনি সব জাতির,সমগ্র বিশ্বের। একজন দুই বাংলার হয়ে সমগ্র বিশ্বের বন্ধন,্ আরেকজন দুই বাংলার হয়ে সমগ্র বিশ্বের প্রতিবাদী মানুষের কন্ঠ ধারন করে বিশ্ব নাগরিক। এই তো আমার বাংলা। যে বাংলার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে এই বাংলাদেশ।

কোন রাষ্ট্র টিকে থাকার মূলমন্ত্র হলো তার অর্থনৈতিক শক্তি। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা না থাকলে সবই যেন বেকার। সাত কোটি বাঙ্গালী যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে। সেই বাঙ্গালী সংখ্যায় ১৫ কোটি কে ছুয়েও কিন্তু আজ না খেয়ে নেই। এই ছোট্ট দেশের বীর কৃষকরা তাদের শ্রম দিয়ে কিন্তু ঠিকই সবার মুখে অন্নসংস্থানের ব্যবস্থা করে চলেছেন। মোটা দাগে বললে এই দেশে এত মানুষ তারপরও কিন্তু দূর্ভিক্ষ নেই।

গোল্ডেন স্যাকম্যান এর মতো সংস্থাও এই দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে বিশ্বের দ্রুত ধাবমান অর্থনীতি ইন্ডিয়া বা ব্রাজিলের সাথে তুলনা করেছে। হোচট খায় ঠিকই, কিন্তু এই বাঙ্গালী থামতে জানে না। খেতে না পাওয়া ৭ কোটি বাঙ্গালী ১৫ কোটিতে পরিনত হয়েও খাচ্ছে, পারমানবিক বিদ্যূত বানানোর বা মহাশূন্যে উপগ্রহ পাঠানোর স্বপ্ন দেখছে। অথবা এক সময়ের স্বপ্ন দেখা ল্যাপটপ তৈরী হচ্ছে এই দেশেই। মোটর সাইকেল, ফ্রিজ, এয়ারকন্ডিশনার বানিয়েই ক্ষান্ত হয়নি বাঙ্গালী, জাহাজ বানানোর পাশাপাশি গাড়ি বানানোর দিকেও সে ধাবমান। তলাহীন জাতি তলা মেরামত করেই ক্ষান্ত হয়নি। এগিয়েছে বহুদুর। সাইক্লোন ও বন্যার দেশ বাংলাদেশ এখন নেতৃত্ব দিচ্ছে মাইক্রোক্রেডিট কিংবা ক্ষুদ্র ঋণে। ও পারের অমর্ত্য সেনের পাশাপাশি এ পারের ড. মোহাম্মদ ইউনুস নোবেল জয় করে সারা বিশ্বকে এই সিগনালই দিয়েছেন যে আমরাও পারি। অথবা আরও কিছু মানুষ বা সংস্থা নোবেল দরজায় এখনও টোকা দিচ্ছেন এই বাংলাদেশ থেকেই। এই আমরাও পারির আর একটি উদাহরণ কিন্তু আমাদের গার্মেন্টস্ শিল্প।  সুতোর প’র সুতো বুনে আমাদের গার্মেন্টস্ কন্যারা নতুন স্বপ্নের কারিগর হয়ে গেছেন ইতিমধ্যেই। সমৃদ্ধির কথা বললে বলতেই হয় ফার্মসিউটিক্যালস বা সিরামিক শিল্পের কথা। আর যে কথা না বললেই নয় তা হলো এই দেশের তরুণ ক্রীড়াবিদদের জয়গাথা। যে দেশের জাতীয় খেলা কাবাডি সেই দেশের ছেলেরা বুক চিতিয়ে লড়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে ক্রিকেট নামক মহাযজ্ঞে। আর ভেবে দেখুন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনগোষ্ঠীর এই দেশের মেয়েরা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ট দেশ আমেরিকাকে কুপোকাত করে ওয়ান ডে স্ট্যাটাস ছিনিয়ে এনেছে এই তো হালেই। ছেলে মুসা ইব্রাহিম বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত এভারেস্টে উঠে এই বাংলার পতাকা উড়িয়ে দিয়ে যদি কোন মাইলফলক স্পর্শ করে, তবে মেয়ে ওয়াসফিয়া নাজরিনও কম যান না। সাত মহাদেশের সাত শৃঙ্গকে পদানত করার দৌড়ে ছুটে চলেছেন।

শুরু করেছিলাম বিজয় দিয়ে। যে বিজয় দেখিনি সেই বিজয় কে নিয়ে বিজয় গাথা লিখতে।  আমরা এই নতুন প্রজন্ম যাদের জন্ম স্বাধীনতার যুদ্ধ- মুক্তিযুদ্ধের পরে তারা কিন্তু বিভ্রান্ত। এই স্বাধীনতার অর্জনকে সবাই নিজের বলে দাবী করছে রাজনীতির কুটিল খেলায়। সঠিক ইতিহাসের দাবীদারও বিভ্রান্ত বহু দলে ও মতে। কখনও ব্যাক্তি বা কোন দল কৃতিত্ব দাবী করে ছিনতাই করতে চায় লক্ষ-লক্ষ লোকের আত্মদান ও হাজার হাজার নারীর সম্ভ্রবের বিনিময়ে পাওয়া স্বাধীনতা কে।  ইতিহাসের চরম সত্য যেমন স্বাধীনতার ঘোষনা, তেমনি সত্য একটা অঞ্চলের নিপিড়ীত মানুষের চাওয়া কে যুদ্ধ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়ার কূশলী সাংগঠনিক সক্ষমতাও। দু:খের বিষয় এই যে ”সব কৃতিত্ব শুধু আমার”- এই ধ্যান ধারনাতেই আমরা আটকে গিয়েছি। পিছু হটার বা হাল ছাড়ার কোন লক্ষনই নেই। তারপরও আশাবাদী আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, কিন্তু  এই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারন করে আছি আমাদের অস্থিমজ্জ্বায়। প্রতিদিন।

Bijoy dekhini Bijoy ar kotha sunechi by Mir Mahfuj Alam_24 November 2011_Final
Bijoy dekhini Bijoy ar kotha sunechi by Mir Mahfuj Alam_24 November 2011_Final

মৃত্যু
 মীর মাহাফুজ আলম

অন্দকার টানেলের ঢাকনাটা
একপাশে সরিয়ে নেমে পড়লাম
চারদিকে গহীন অন্ধকার।
পৃথিবীর সমস্ত আলো এখানে বিলীন।

এক পা, দু’পা করে এগুতেই
দেখি কে যেন সেখানে বসে আছে
চারদিকের অন্ধকারকে চুষে নিচ্ছে
একটা ম্লান আলো
সে আলোর মাঝখান থেকে
একটা কান্নার আওয়াজ ভেসে আসছে
বেহালার বুক চিরে নি:সৃত
রাশি রাশি কষ্টের মতো।
বুকের মাঝে এক আকাশ কষ্ট নিয়ে
এগিয়ে গেলাম,শুধোলাম,
কে তুমি ?
ঘোমটা তুলে
মুখটা ঢেকে এমনি ভাবে বসে আছো ?
নড়াচড়ার কোন লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে না
যেন কোন পাথর, যাকে নড়তে নেই।
আমি আবারও জিজ্ঞেস করলাম,
কে গো তুমি? তোমার মুখটা দেখাও ।
একটা ভারি কন্ঠ গম-গম করতে লাগলো
কোথাও কি কোন বজ্রপাত হলো ?
বজ্রপাতে আলো থাকে
এখানে কোন আলো নেই।
এখানে কোন কথার ছল-চাতুরী নেই।
এখানে না-বলা-কথা চেপে না-বলা নেই ।
কন্ঠটা আরও যেন কিছু বললো।
বুঝতে পারলাম না।
আবারও শুধোলাম,তুমি কে ?
অন্ধকার টানেলের সমস্ত অন্ধকার
ছাপিয়ে কন্ঠটা বললো,
আমি মৃত্যু, মৃত নই।
Mrittu

মেঘ,বৃষ্টি,রোদ
 মীর মাহাফুজ আলম
হঠাৎ হঠাৎ পুব আকাশে
সূর্যি মামা এমনি হাসে
হঠাৎ করে মিথ্যে রাগে
যায় লুকিয়ে যায় হারিয়ে।

আবার হঠাৎ যুক্তি করে
মেঘের সাথে দোস্তি ধরে
এক পশলা বৃষ্টি আনে
জানে রাধা, রাধা জানে।

ফিশফিশিয়ে আপন মনে
বলে কথা হাওয়ার সনে
দমকা হাওয়া জোরে জোরে
হেটে চলে সরে সরে।

এই বৃষ্টি এই মেঘে
এরই মাঝে থেকে থেকে
নেই দিন নেইকো রাত
বৃষ্টি আসে হঠাৎ হঠাৎ।

Megh Brishti Rodh

Megh Brishti Rodh

পরিবর্তন
 মীর মাহাফূজ আলম

সজনে ডালে হাওয়ায় দোলে
ছোট্ট একটা পাখি
সাদা কালো ডোরায় তাকে
চোখে-চোখে রাখি।

আজ বহুদিন,নেই যে সেদিন
দিন হয়েছে গত,
আমরা সবাই পর হয়েছি
নিজের কাজে রত।

সেই চোখ আর সেই মন নেই
হারিয়ে ফেলেছি কবে,
মানুষ থেকে মানহুস হয়েছি
আমরা যে এই ভবে।

সজনে ডালটি হারিয়ে গেছে
কবে যে কার হাতে ?
পাখিটিও আর বসে না কোথাও
বসেই বা কি হবে ?

Pariborton
Pariborton

চুপটি করে, হাতটি ধরে
মীর মাহাফূজ আলম
শহর থেকে একটু দুরে
যাবো সেথা ঘুরে-ঘুরে
নদীর পাশের পথটি ধরে
চুপটি হেসে চুপটি করে।

পাখির সুরে গুনগুনিয়ে
একটুখানি খানি গান শুনিয়ে
হাতের পরে হাতটি রেখে
সকাল-দুপুর কিংবা প্রাতে।

না যদি যাও একলা যাবো
দু’চোখ ভরে স্বপ্ন নেবো
জোনাক জ্বলা একলা রাতে
কি নেব ভাই, কি হারাব !

Chupti kore Hateti dhore
Chupti kore Hateti dhore
Advertisements
  1. Hello, Neat post. There’s an issue with your site in internet explorer, could check this¡­ IE nonetheless is the marketplace chief and a large portion of folks will omit your fantastic writing due to this problem.

    Like

  2. Does your blog have a contact page? I’m having problems locating it but, I’d like to send you an e-mail. I’ve got some ideas for your blog you might be interested in hearing. Either way, great blog and I look forward to seeing it expand over time.

    Like

  3. I do not even know the way I stopped up here, but I assumed this publish was once good. I don’t recognise who you’re however definitely you are going to a famous blogger for those who are not already 😉 Cheers!

    Like

  4. Normally I do not read post on blogs, but I wish to say that this write-up very pressured me to take a look at and do it! Your writing taste has been surprised me. Thank you, very nice post.

    Like

  5. I liked as much as you’ll receive carried out proper here. The cartoon is attractive, your authored material stylish. nevertheless, you command get got an nervousness over that you want be turning in the following. ill unquestionably come further in the past again as exactly the same nearly a lot ceaselessly inside of case you protect this increase.

    Like

  6. Wohh just what I was looking for, thank you for posting.

    Like

  7. Hey There. I found your weblog the use of msn. This is an extremely well written article. I will make sure to bookmark it and come back to read extra of your helpful info. Thank you for the post. I’ll definitely comeback.

    Like

  8. you are actually a excellent webmaster. The website loading velocity is amazing. It seems that you’re doing any distinctive trick. Furthermore, The contents are masterpiece. you have performed a excellent process on this matter!

    Like

  9. An fascinating concept this. I’m 1 of those men and women whom tend to wait for things to mature prior to taking action but in this case I’m mindful that inaction leads to only failures so I will heed your comments and begin to do anything about it.

    Like

  10. Keep up the excellent work, I read few articles on this site and I conceive that your web blog is really interesting and has got circles of superb information.

    Like

  11. An fascinating dialogue is worth comment. I believe that you must write more on this subject, it won’t be a taboo subject however usually individuals are not enough to talk on such topics. To the next. Cheers

    Like

  12. Oh my goodness! an incredible article dude. Thank you However I am experiencing challenge with ur rss . Don’t know why Unable to subscribe to it. Is there anybody getting equivalent rss problem? Anybody who knows kindly respond. Thnkx

    Like

  13. We stumbled over here coming from a different web page and thought I might as well check things out. I like what I see so now i’m following you. Look forward to looking over your web page again.

    Like

  14. This is the perfect blog for anyone who wants to know about this topic. You know so much its almost hard to argue with you (not that I really would want…HaHa). You definitely put a new spin on a subject thats been written about for years. Great stuff, just great!

    Like

  15. An interesting dialogue is price comment. I believe that you must write more on this topic, it may not be a taboo subject however typically individuals are not enough to talk on such topics. To the next. Cheers

    Like

  1. Pingback: i like reading

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: